নারায়ণগঞ্জে বি’স্ফোরিত মসজিদে অ’ক্ষত রয়েছে যে বাচ্চাটি !

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ওয়ালে ওয়ালে ঘুরে বেড়াচ্ছ বাচ্চা এই শিশুটির ছবি। বিভিন্ন জন ছবিটি শেয়ার দিয়ে অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন। কেউ লিখেছেন বাচ্চাটিকে মসজিদে ঢুকতে না দেওয়ায় ফতুল্লা মসজিদে এই বি’স্ফোরণ হয়েছে গজব হিসেবে আবার অনেকেই

লিখেছেন গায়ে কোন কাপড় না থাকায় সে নিজেই ভিতরে যায়নি। কিন্তু ছবিটি যে সবার মনে দাগ কেটেছে তা বলাই বাহুল্য। মসজিদে শিশুদের প্রতি আচরণ বাংলাদেশ মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে মসজিদ থেকে শিশুদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

কিছু খিটখিটে মেজাজের মুসল্লি কোনোকিছু না বুঝেই এমন আচরণ করেন, যা মানুষ জীবজন্তুর প্রতিও করে না।কোনো কোনো মসজিদে ইমাম ও খাদেমরাও এতে প্রভাবিত হয়ে যান। তারাও শিশুদের তাড়ানোর পক্ষে কাজ করেন। যেসব শিশু পেশাব পায়খানার বয়স পার করেনি বা

সাথের গার্জিয়ানকে দেখতে না পেলেই চিৎকার করে কা’ন্না জুড়ে দেয় এদের কথা আলাদা। তবে, যারা ৭/৮ বছর পার করেছে, তাদের মসজিদে আসতে বাধা কোথায়। হাদীসে তো এ বয়সে তাদের নামাজের হুকুম দেয়ার কথা এসেছে। ১০ বছরের সময় নামাজ না পড়লে কঠোরতার কথাও হাদীসে এসেছে। প্রিয় নবী সা. যখন ঘরে নামাজ পড়তেন।

তার দুই শিশু নাতি হযরত হাসান ও হোসাইন রা. তখন তাদের নানাজির কোলে বসতেন। সেজদার সময় ঘাড়ে ও পিঠে চড়তেন। নবীজি সা. সেজদা শেষ হলে তাদের সুন্দর করে নিচে নামিয়ে তবে সেজদা থেকে মাথা তুলতেন। পরের সেজদায় তার আবার এমনই করতেন। হযরতও আবার তাদের সযত্নে নামিয়ে নামাজ শেষ করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *