প্রেমের টানে ইসলাম গ্রহণ, বর-কনে গ্রে’ফতার !

প্রেম মানে না কোনো জাত, বংশ ও ধর্ম। সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার বিশ্বজিৎ ও লক্ষ্মী রানির মেয়ে লাবণী এবং একই এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে গোলাম আযমকে বিয়ে করে আবারো সেই কথা প্রমাণ করলেন। কিন্তু এর পরিণামে তাদের পড়তে হয়েছে আইনি জটিলতায়। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান যুবককে বিয়ে করার অ’পরাধে ওই নবদম্পতিকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউপির সোন্দাহ বাগানপাড়ার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রে’ফতার করা হয়।

প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ে বন্ধনে আ’বদ্ধ হতে সাতক্ষীরা থেকে পালিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিয়ে করেন তারা। এরপর কুমারখালীতে আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যান।দীর্ঘদিন ধরে লাবণী ও গোলাম আযমের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।এরই মধ্যে উভয়ে বিয়ের সি’দ্ধান্ত নেন। দুই পরিবারের কথা চিন্তা করে প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকা বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে যান।গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে লাবণী বিশ্বাস মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে আঁখি আক্তার নাম রাখেন।

৩ ফেব্রুয়ারি একই কোর্টে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে কোর্ট ম্যারেজ করেন তারা।বিয়ের পর ঢাকায় থাকার ব্যবস্থা করতে না পেরে স্ত্রীকে নিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আত্মীয়ের বাড়ি চলে আসেন আযম।উপজেলার নন্দলালপুর ইউপির সোন্দাহ বাগানপাড়া এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন নবদম্পতি। ১২ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি জানাজানি হলে নবদম্পতিকে পুলিশে সোপর্দ করেন ইউপি চেয়ারম্যান নওশের আলী।কুমারখালী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাতক্ষীরার আশাশুনি থানায় মেয়ের বাবা মামলা করেছেন। তাই তাদের গ্রে’ফতার করা হয়েছে। আমাদের কিছুই করার নেই। তারা আমাদের হেফাজতে থাকবেন। আশাশুনি থানা পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *